Ghee বানানোর রেসিপি

 ঘরে বসেই খুব সহজে এবং খাঁটি উপায়ে ঘি তৈরি করতে পারেন। লবণবিহীন মাখন (unsalted butter) বা দুধের সর থেকে ঘি বানানো যায়। এখানে মাখন থেকে ঘি বানানোর সহজ পদ্ধতি দেওয়া হলো: 

উপকরণ 

লবণবিহীন মাখন (Unsalted Butter) - ১ কেজি (বা আপনার প্রয়োজন মতো) , 


লেবুর পাতা বা ২-১টি এলাচ (ঐচ্ছিক, সুগন্ধের জন্য) 

প্রস্তুত প্রণালী

১. মাখন গলানো: একটি ভারী তলাযুক্ত গভীর পাত্র (কড়াই বা সসপ্যান) মাঝারি আঁচে গরম করুন। পাত্র গরম হলে তাতে মাখনের টুকরোগুলো দিয়ে দিন। মাখন ধীরে ধীরে গলতে শুরু করবে। এই পর্যায়ে নাড়াচাড়া করার দরকার নেই। 

২. ফেনা তৈরি হওয়া ও কমানো: মাখন সম্পূর্ণ গলে গেলে উপরে ঘন সাদা ফেনা তৈরি হবে এবং মিশ্রণটি বুদবুদ করে ফুটতে শুরু করবে। এই সময় গ্যাসের আঁচ মাঝারি-নিভু করে দিন। 

৩. নাড়াচাড়া ও দুধের কঠিন অংশ পৃথকীকরণ: মাঝে মাঝে আলতো করে নাড়ুন এবং কড়াইয়ের পাশ থেকে লেগে থাকা অংশগুলো চেঁছে নামিয়ে দিন। কিছুক্ষণ পর বুদবুদগুলো ছোট হতে থাকবে এবং দুধের কঠিন অংশ (milk solids) পাত্রের নিচে জমা হতে শুরু করবে। 

৪. স্বচ্ছ হওয়া ও রঙ পরিবর্তন: যখন ঘি স্বচ্ছ সোনালী রঙ ধারণ করবে এবং পাত্রের নিচে জমা হওয়া কঠিন অংশগুলো হালকা বাদামী রঙের হয়ে যাবে, তখন বুঝবেন ঘি প্রায় তৈরি। এ সময় চাইলে সুগন্ধের জন্য লেবুর পাতা বা এলাচ যোগ করতে পারেন। 

৫. ঠাণ্ডা ও ছাঁকন: চুলা বন্ধ করে দিন এবং ঘি কিছুটা ঠাণ্ডা হতে দিন। এই গরম অবস্থায় দুধের কঠিন অংশগুলো আরও একটু গাঢ় বাদামী হয়ে যাবে। পুরোপুরি ঠাণ্ডা হওয়ার আগে একটি পরিষ্কার ও শুকনো কাঁচের পাত্রের ওপর ছাঁকনি বা পাতলা মসলিন কাপড় রেখে ঘি ছেঁকে নিন। 

৬. সংরক্ষণ: ছেঁকে নেওয়া খাঁটি ঘি সম্পূর্ণ ঠাণ্ডা হলে পাত্রের মুখ বন্ধ করে সংরক্ষণ করুন। এটি স্বাভাবিক তাপমাত্রায় বেশ কয়েক মাস ভালো থাকে। 

কিছু টিপস

সবসময় ভারী তলাযুক্ত পাত্র ব্যবহার করুন, এতে ঘি পুড়ে যাওয়ার ভয় কম থাকে।

পুরো প্রক্রিয়ায় আঁচ কম বা মাঝারি-নিভু রাখুন। বেশি আঁচে বানালে ঘি দলা পেকে যেতে পারে বা পুড়ে যেতে পারে।

ঘি সম্পূর্ণ ঠান্ডা হয়ে গেলে দানাদার ও আধা-কঠিন আকার ধারণ করবে।

Ghee বানানোর রেসিপি


Comments